• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি

খুনের আসামি যুবলীগের ‘বিশেষ’ অতিথি!

choncholনিউজ ডেস্ক: মিল্কি হত্যা মামলার অন্যতম আসামি বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা সাখাওয়াত হোসেন চঞ্চলের খোঁজ পাওয়া গেছে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে আছেন। নিউইয়র্ক যুবলীগের এক আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্যও দিয়েছেন।

ঢাকা মহানগর যুবলীগের (উত্তর) বহিষ্কৃত এ সাংগঠনিক সম্পাদক দেশটিতে রাজনৈতিক আশ্রয়ও চেয়েছেন বলে বিডিনিউজের বরাত দিয়ে বুধবার খবর ছেপেছে বাংলাদেশ প্রতিদিন।

চঞ্চল যুবলীগ নেতা মিল্কি হত্যা মামলার সাত নম্বর আসামি। গত বছর ৩০ জুলাই চাঞ্চল্যকর এ হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তিনি ফেরারি। কিন্তু গত ২ ফেব্রুয়ারি বহিষ্কৃত এই যুবলীগ নেতাকে নিউইয়র্কে সংগঠনেরই এক আলোচনা সভায় দেখা গেছে। সেখানে তাঁকে আওয়ামী যুবলীগের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ যুবনেতা হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়।

এদিকে, চেয়ারম্যানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেওয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের অনেক নেতা। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন যুবলীগ নেতা জানান, পুলিশের হুলিয়া থাকলেও আগস্টের শেষার্ধে নিউইয়র্কে এসে চঞ্চল স্থায়ীভাবে বসবাসের জন্য রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন।

রাজধানীর গুলশানে শপিং মল শপার্স ওয়ার্ল্ডের সামনে গত ৩০ জুলাই রাত ১টার দিকে যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিল্কিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। শপার্স ওয়ার্ল্ডের সিসি ক্যামেরায় ধারণ করা চিত্রে দেখা যায়, প্রাইভেট কার থেকে মিল্কি নামার পর সাদা পাজামা-পাঞ্জাবি ও টুপি পরা এক যুবক বাম কানে মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে মিল্কির সামনে এসে ডান হাতে ছোট আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে প্রথমে একটি গুলি ছোড়েন। গুলিবিদ্ধ মিল্কি বাম দিকে হেলে মাটিতে পড়ে হামাগুড়ি দিতে থাকেন। ওই যুবক এ সময় তাকে লক্ষ্য করে সাত-আটটি গুলি ছোড়েন। এর পর পেছন থেকে এক যুবক মোটরসাইকেল চালিয়ে এলে গুলিবর্ষণকারী যুবক এর পেছনে বসে চলে যান। সে সময় আরেক যুবককেও গুলি ছুড়তে দেখা যায়।

ফিল্মি স্টাইলে এই হত্যাকাণ্ড যে এলাকায় ঘটেছে, সেই গুলশান-বাড্ডা এলাকা নিয়ন্ত্রণ করতেন সাখাওয়াত হোসেন চঞ্চল। অন্যতম সন্দেহভাজন আরেক যুবলীগ নেতা জাহিদ সিদ্দিক তারেক ক্রসফায়ারে নিহত হয়েছেন। এই তারেকের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন চঞ্চল।

এ ঘটনায় গুলশান থানায় দায়ের করা মামলায় তারেকসহ ১১ জনের নামোল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয় আরও কয়েকজনকে আসামি করা হয়। এতে চঞ্চল সাত নম্বর আসামি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ